মক্কা চুক্তির পর আন্তর্জাতিক বিশ্ব নড়েচড়ে বসেছে। প্রথমেই একটি বিষয় পরিষ্কার করা দরকার। সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের ৭ আগস্ট ২০২৬-এর চুক্তিটিকে এখনই একটি পূর্ণাঙ্গ ‘ইসলামিক ন্যাটো’ বলে ধরে নেওয়া ঠিক হবে না। তবে এটি নিঃসন্দেহে পশ্চিম এশিয়া ও দক্ষিণ এশিয়ার নিরাপত্তা সমীকরণে একটি গুরুত্বপূর্ণ নতুন স্তর তৈরি করেছে।
গণমাধ্যমের নিবন্ধন নামের একটি সিস্টেম চালু আছে দেশে। সারাবিশ্বে এরকম অদ্ভূত কোনো প্রক্রিয়া নেই। অথচ এই দেশে এই নিবন্ধন নামের নিয়ন্ত্রণ মহাসমারোহে বলবৎ আছে। এ প্রসঙ্গে একটি গল্প মনে পড়ল আমার।
বহু বছর পর ভারতীয় হিসেবে নিজেকে বেশ সৌভাগ্যবান ও আনন্দিত মনে হচ্ছে। ঠিক যখন মনে হচ্ছিল সমস্ত আশা ফুরিয়ে গেছে, ঠিক তখনই তারা এসে হাজির হলো। বৃষ্টির মধ্য দিয়ে হাজির হলো একদল তরুণ তেলাপোকা বা […]
নিউ ইয়র্ক সিটি মেয়রের জন্য ডেমোক্র্যাটিক প্রাইমারিতে জোহরান মামদানির বিস্ময়কর বিজয় মার্কিন রাজনীতিতে এক ভূমিধস পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেয়। উগান্ডা-ভারতীয় বংশোদ্ভূত এই স্টেট অ্যাসেম্বলি সদস্যের বিজয় দীর্ঘদিন ধরে ধীরে ধীরে গড়ে ওঠা একটি বাস্তবতাকেই তুলে ধরে: একটি নতুন, শ্রমজীবী অভিবাসী রাজনীতি, যা সংগঠন, সংহতি এবং বৈষম্যের প্রখর সমালোচনার উপর ভিত্তি করে ডেমোক্র্যাটিক পার্টির অভ্যন্তরে দৃঢ়ভাবে জায়গা করে নিচ্ছে।
২২ জুনের স্বাভাবিক সুন্দর একটি দিন। পৃথিবীর নানা প্রান্তের দেশগুলোর মতোই মধ্যপ্রাচ্যের দেশ ইরানের সাধারণ মানুষজনও প্রাত্যহিক কাজে মনোনিবেশ করেছিলেন। এরইমধ্যে মার্কিন যুদ্ধবিমান ইরানি আকাশসীমায় প্রবেশ করে ১৪টি বিশাল বোমা ফেলে। এই হামলাটি কোনো উসকানির জবাবে ছিল না; বরং এটি ছিল অবৈধ ইসরায়েলি আগ্রাসনের পরবর্তী ধাপ। ওই হামলায় বেঘোরে মারা পড়েন ৬০০ ইরানি।
রোহিঙ্গা সংকট ও বাংলাদেশের সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানের সাম্প্রতিক মন্তব্য এবং দেশের সার্বভৌমত্বসহ না প্রসঙ্গে একটি পোস্ট লিখেছেন সাবেক সেনাপ্রধান ইকবাল করিম ভূঁইয়া। লেখাটি পাঠকদের জন্য এখানে তুলে ধরা হলো।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট বাংলাদেশের রাজনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ ও কালো অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটেছে। ফ্যাসিস্ট, স্বৈরাচার শেখ হাসিনা প্রায় ১৫ বছরের অপশাসন শেষে পদত্যাগ করতে বাধ্য হন এবং বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে ভারতে আশ্রয় গ্রহণ করে। এই ঘটনা দেশের রাজনৈতিক দৃশ্যপটকে এক নতুন অধ্যায়ের দিকে নিয়ে গেছে।
শেখ হাসিনা ওয়াজেদের আকস্মিক পদত্যাগের পর বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে পৌঁছেছে। এই পদত্যাগ, যা একটি বৃহত্তর গণ অভ্যুত্থানের ফলে ঘটেছে এবং এতে ৭৫৭ এরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে, (সূত্র-প্রথম আলো) এবং প্রায় ৭২ ঘণ্টা বাংলাদেশ কার্যত সরকারবিহীন ছিল।
ছাত্ররা, তরুণরা দেশের কোটা সিস্টেম নিয়ে যে আন্দোলনটা করলো, যেটি কিনা শেষে বৈষম্যবিরোধী ছাত্রজনতার আন্দোলনে রূপ নিল। আর অন্তিমে গিয়ে ঘটলো সরকারের দুঃশাসনের ইতি। আন্দোলনটা ছিল মূলত শেখ হাসিনার সরকার কর্তৃক সৃষ্ট দেশের ব্যাড সিস্টেমের বিরুদ্ধে। ওই ব্যাডসিস্টেমেরই একটি বাইপ্রোডাক্ট ছিল চাকরির কোটা।
আওয়ামী লীগে সুসময় চলছে। দেশের ঐতিহ্যবাহী এই রাজনৈতিক দলটি টানা তিন মেয়াদে এখন রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায়। ক্ষমতা মানেই সুদিন, আর সুদিন মানেই দলে শুভাকাঙ্খীদের ভিড়। আওয়ামী লীগের নৌকাতেও এখন শুভাকাঙ্খীদের ভিড়ে স্বাভাবিকভাবে নড়াচড়া করার জো নেই। দলের সাধারণ সম্পাদক এদের অনেককে ‘কাউয়া’ বলেছেন।