২০২৪-এর গণঅভ্যুত্থান: বাংলাদেশে খেলোয়াড় বদলেছে, বদলায়নি খেলার নিয়ম

কূটনৈতিক প্রতিবেদক
19 August 2026 5:42 pm
কোটা ব্যবস্থা বাতিলের দাবিতে চলমান আন্দোলন সারাদেশে ছড়িয়ে পড়েছে।

কোটা ব্যবস্থা বাতিলের দাবিতে চলমান আন্দোলন সারাদেশে ছড়িয়ে পড়েছে।

শাসকের পতন ঘটেছে, কিন্তু নতুন শাসক যেন পুরোনোদের পথ অনুসরণ না করেন, সেই প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা এখনো গড়ে ওঠেনি।

২০২৪ সালের জুলাই ও আগস্টে বাংলাদেশের তরুণরা এমন এক অসম্ভবকে সম্ভব করে দেখিয়েছিল, যা অনেকের কাছেই ছিল অকল্পনীয়। বিশ্বের দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকা প্রধানমন্ত্রীদের একজন শেখ হাসিনাকে ক্ষমতা ছেড়ে সামরিক হেলিকপ্টারে করে প্রতিবেশী ভারতে চলে যেতে হয়েছিল।

তবে সেই অভ্যুত্থান রক্তহীন ছিল না। রাষ্ট্রীয় বাহিনীর কঠোর দমন-পীড়নে প্রাণ হারান প্রায় ১ হাজার ৪০০ মানুষ।

১৫ বছরেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশ এমন এক সরকারের অধীনে ছিল, যে সরকার গণতন্ত্রের একটি লোকদেখানো কাঠামোকে প্রায় নিখুঁত করে তুলেছিল। নির্বাচন ছিল, কিন্তু প্রতিযোগিতা ছিল না। আদালত ছিল, কিন্তু স্বাধীনতা ছিল না। গণমাধ্যম ছিল, কিন্তু ভিন্নমতের জায়গা ক্রমেই সংকুচিত হয়েছিল।

এরপর এক বর্ষায় খুব অল্পসংখ্যক তরুণ শিক্ষার্থীরা কিছু একটা হাতে নিয়ে, মূলত স্মার্টফোনকে হাতিয়ার করে রাস্তায় নেমে আসে। সরকারি চাকরিতে বৈষম্যমূলক কোটা ব্যবস্থার বিরুদ্ধে শুরু হওয়া আন্দোলন অল্প সময়ের মধ্যেই রূপ নেয় শাসকের বিরুদ্ধে গণঅভ্যুত্থানে।

মুহূর্তটি যেন আব্রাহাম লিংকনের নামে প্রচলিত সেই কথাটিকেই সত্যি করে তুলেছিল, মানুষকে সব সময় বোকা বানিয়ে রাখা যায় না।

কিন্তু কোনো বিপ্লবের মূল্যায়ন শুধু সেই সাহস দিয়ে হয় না, যে সাহস আন্দোলনের জন্ম দিয়েছিল। আসল বিচার হয়, ধোঁয়া কেটে যাওয়ার পর কী টিকে থাকে, তা দিয়ে।

দুই বছর পর বাংলাদেশ আবার একটি নির্বাচিত সরকারের অধীনে। যে শিক্ষার্থীরা অভ্যুত্থানের নেতৃত্ব দিয়েছিল, তাদের কেউ কেউ এখন সংসদে। একটি উচ্চাভিলাষী সংস্কার সনদ ভোটারদের অনুমোদন পেয়েছে। কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে অবাধ নির্বাচনও অনুষ্ঠিত হয়েছে।

তবু ২০২৪ সালের সেই আশাবাদ এখন অন্য এক অস্বস্তিকর প্রশ্নের মুখে। আসলে কতটা বদলেছে বাংলাদেশ?

যে প্রতিশ্রুতি ছিল

গণঅভ্যুত্থান অবিশ্বাস্য দ্রুততায় ছড়িয়ে পড়েছিল। শিক্ষার্থী, পোশাকশ্রমিক, শিক্ষক, রিকশাচালকসহ সাধারণ মানুষ জবাবদিহি, মর্যাদা ও রাজনৈতিক স্বাধীনতার দাবিতে এক জায়গায় এসে দাঁড়িয়েছিলেন। কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই পুরোনো রাজনৈতিক ব্যবস্থার নড়বড়ে কাঠামো ভেঙে পড়ে।

নোবেলজয়ী মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার এমন একটি সুযোগ পেয়েছিল, যা স্বৈরশাসনের পর সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া অনেক সরকারের ভাগ্যেই জোটে না। রাষ্ট্রব্যবস্থায় মৌলিক পরিবর্তনের পক্ষে তখন মানুষের ব্যাপক সমর্থন ছিল।

অন্তর্বর্তী সরকারের উদ্যোগও ছিল উচ্চাভিলাষী। জুলাই ন্যাশনাল চার্টার নামে একটি নতুন সামাজিক চুক্তির ধারণা সামনে আসে। এর লক্ষ্য ছিল সংবিধানে বড় ধরনের পরিবর্তন আনা, যাতে ভবিষ্যতে আবার নির্বাহী ক্ষমতা এক জায়গায় কেন্দ্রীভূত হতে না পারে।

মেয়াদের সীমা নির্ধারণ, দ্বিকক্ষবিশিষ্ট সংসদ, আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব, বিচার বিভাগের ওপর শক্তিশালী নজরদারি এবং নাগরিক অধিকার আরও সুরক্ষিত করার মতো প্রস্তাব রাখা হয়। অনেকের কাছে এটি বাংলাদেশের দ্বিতীয় প্রজাতন্ত্রের ভিত্তি তৈরির একটি নকশা বলে মনে হয়েছিল।

২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে গণভোটে ভোটাররা বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতায় ওই সনদের পক্ষে মত দেন। একই দিনে অনুষ্ঠিত নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণ নিজেদের সরকার বেছে নেওয়ার সুযোগ পায়।

২০০৬ সালের পর থেকে ক্ষমতার বাইরে থাকা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল, বিএনপি, বড় সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠন করে। দেশের সবচেয়ে বড় ইসলামপন্থী দল জামায়াতে ইসলামী প্রধান বিরোধী শক্তিতে পরিণত হয়। আর জাতীয় নাগরিক পার্টির ব্যানারে আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত একদল তরুণ নেতা সংসদে প্রবেশ করেন।

অনেক বাংলাদেশির কাছে তখন মনে হয়েছিল, বিপ্লব বুঝি তার গন্তব্যে পৌঁছে গেছে। বাস্তবে যাত্রা তখন কেবল শুরু।

বাস্তবতার প্রত্যাবর্তন

এর পরের কয়েক মাস বিপ্লবী আদর্শবাদ আর প্রাতিষ্ঠানিক স্থবিরতার মধ্যে বড় ব্যবধানটি স্পষ্ট করে দেয়।

বিএনপি এমন একটি রাষ্ট্রব্যবস্থা উত্তরাধিকার হিসেবে পায়, যেটি গণতান্ত্রিক জবাবদিহির চেয়ে স্বৈরতান্ত্রিক নিয়ন্ত্রণের জন্যই বেশি উপযোগী ছিল। আমলাতন্ত্র, পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থার বড় একটি অংশে তখনও এমন কর্মকর্তারাই ছিলেন, যাদের ক্যারিয়ার আগের সরকারের সময়েই বিকশিত হয়েছিল।

হাসিনার আমলে সুবিধা পাওয়া ব্যবসায়ী পরিবারগুলোও দ্রুত নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতার সঙ্গে নিজেদের মানিয়ে নেয়। দেশের সরবরাহ ব্যবস্থা, ব্যাংকিং, বাণিজ্য, পরিবহন ও উৎপাদন খাত নিয়ন্ত্রণকারী পৃষ্ঠপোষকতার নেটওয়ার্কগুলো বিপ্লবী ও সাধারণ মানুষের ধারণার চেয়েও অনেক বেশি শক্তিশালী ও টেকসই প্রমাণিত হয়।

অভ্যুত্থানের মুখ হয়ে ওঠা শিক্ষার্থীরাও ধীরে ধীরে চাপ ও বিভাজনের মুখে পড়ে। ক্ষমতাসীন দলের কিছু সমর্থক আন্দোলনে তাদের ভূমিকা খাটো করার চেষ্টা করে। অন্যরা আন্দোলনের অর্জন নিজেদের রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করতে চায়।

স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে যে আন্দোলন লাখ লাখ মানুষকে একত্র করেছিল, শাসন পরিচালনার বাস্তবতার মুখোমুখি হওয়ার পর সেই আন্দোলনই ধীরে ধীরে বিভক্ত হতে শুরু করে।

সবচেয়ে বড় বিস্ময় সম্ভবত ছিল আন্দোলন শেষ হওয়ার পর ডিজিটাল মোবিলাইজেশনের প্রভাব এত দ্রুত কমে যাওয়া।

গণঅভ্যুত্থানের সময় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম রাষ্ট্রীয় সহিংসতার তথ্য প্রকাশ, সমাবেশ সংগঠিত করা এবং বছরের পর বছর ধরে চলা সেন্সরশিপ এড়িয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল।

কিন্তু রাষ্ট্র পরিচালনা শুধু মানুষকে রাস্তায় নামানোর ক্ষমতা দিয়ে হয় না। এর জন্য প্রয়োজন কার্যকর আদালত, পেশাদার আমলাতন্ত্র, জবাবদিহিমূলক পুলিশ এবং এমন প্রতিষ্ঠান, যেগুলো ক্ষমতাবানদের ক্ষমতার সীমা নির্ধারণ করতে পারে।

অভ্যুত্থান শাসকের মুখটি সরিয়ে দিয়েছে, কিন্তু প্রশাসনিক যন্ত্রটি রয়ে গেছে।

কেন বিশ্ব বাংলাদেশের দিকে তাকিয়ে

বাংলাদেশের এই পরিবর্তন বিচ্ছিন্ন কোনো ঘটনা নয়। বিশ্বের অষ্টম সর্বাধিক জনসংখ্যার দেশ, দ্বিতীয় বৃহত্তম তৈরি পোশাক রপ্তানিকারক এবং বিশ্বের অন্যতম বড় শ্রম অভিবাসনকারী দেশ হিসেবে বাংলাদেশের স্থিতিশীলতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

ভারত ও চীনের প্রভাববলয়ের মাঝামাঝি এবং বঙ্গোপসাগরের কৌশলগত অবস্থানে থাকা বাংলাদেশ ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের বৃহত্তর ভূরাজনৈতিক প্রতিযোগিতারও গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র হয়ে উঠেছে।

সাম্প্রতিক মাসগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা ঢাকার সঙ্গে যোগাযোগ বাড়িয়েছেন। শাসনব্যবস্থা, সামুদ্রিক নিরাপত্তা এবং রোহিঙ্গা শরণার্থী সংকট নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

অন্যদিকে অবকাঠামো প্রকল্প, উৎপাদন খাতে বিনিয়োগ এবং রাজনৈতিক সম্পর্ক জোরদারের মাধ্যমে বাংলাদেশে নিজেদের অর্থনৈতিক উপস্থিতি আরও বাড়িয়ে চলেছে চীন।

ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্কও আগের তুলনায় বেশি টানাপোড়েনের মধ্যে পড়েছে। বিশেষ করে ভারতে অবস্থানরত শেখ হাসিনার বক্তব্য ও রাজনৈতিক তৎপরতা নিয়ে ঢাকার অসন্তোষ এই সম্পর্কে নতুন চাপ তৈরি করেছে।

বাংলাদেশের নেতাদের সামনে তাই কঠিন এক ভারসাম্যের প্রশ্ন। একদিকে তাদের বিভিন্ন দেশের প্রতিদ্বন্দ্বী চাপ সামলাতে হচ্ছে, অন্যদিকে দেশের ভেতরে অসম্পূর্ণ গণতান্ত্রিক রূপান্তরকে স্থায়ী ভিত্তি দেওয়ার চেষ্টা করতে হচ্ছে।

আসল পরীক্ষা সামনে

শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারিত হবে তার নিজের রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর অবস্থার ওপর।

বছরের পর বছর রাজনৈতিক অব্যবস্থাপনার ক্ষত এখনো অর্থনীতিতে স্পষ্ট। মূল্যস্ফীতি উচ্চ পর্যায়ে রয়েছে, বিনিয়োগে গতি কম, জ্বালানি সংকট তীব্র  হয়ে উঠেছে এবং প্রবৃদ্ধি সেই পর্যায়ে নেই, যে কারণে একসময় বাংলাদেশকে এশিয়ার অর্থনৈতিক সাফল্যের অন্যতম উদাহরণ বলা হতো।

অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের জন্য এমন প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর আস্থা ফিরিয়ে আনা জরুরি, যেগুলোকে অনেক বিনিয়োগকারী ও নাগরিক এখনো গভীরভাবে রাজনৈতিক প্রভাবাধীন বলে মনে করেন।

এখনো স্বৈরতান্ত্রিক, দুর্নীতিগ্রস্ত ও কেন্দ্রীভূত শাসনের পুরোনো প্রণোদনাগুলো টিকে আছে। আমলা ও ব্যবসায়ীরা শিখে গেছেন, পেশাগত সততার চেয়ে রাজনৈতিক আনুগত্য অনেক সময় বেশি নিরাপদ, এমনকি বেশি লাভজনকও।

এটাই গণঅভ্যুত্থানের অসমাপ্ত কাজ।

বাংলাদেশ এর আগেও স্বৈরশাসকদের ক্ষমতা থেকে সরিয়েছে। কিন্তু এখনো এমন একটি প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা গড়ে তুলতে পারেনি, যা নতুন শাসকদের তাদের পূর্বসূরিদের মতো হয়ে ওঠা ঠেকাতে পারে।

গণতন্ত্র সাধারণত এক রাতের মধ্যে ভেঙে পড়ে না। প্রতিষ্ঠানগুলো যখন দলীয় হয়ে ওঠে, আদালত স্বাধীনতা হারায়, গণমাধ্যম মেরুকৃত হয় এবং জনগণের আস্থা ক্ষয়ে যেতে থাকে, তখন ধীরে ধীরে গণতন্ত্রের ভেতরের শক্তি ফুরিয়ে যায়।

বাংলাদেশ এমন ধ্বংসাত্মক প্রক্রিয়া খুব ঘনীভূত আকারে প্রত্যক্ষ করেছে।

তবে এই অভিজ্ঞতা একটি আশার কথাও দেখিয়েছে। জনগণের হাতে দুর্নীতিগ্রস্ত ও স্বৈরাচারী সরকারকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দেওয়ার শক্তি এখনো রয়েছে।

দক্ষিণ এশিয়ার অন্য দেশেও সাম্প্রতিক সময়ে একই ধরনের হতাশা থেকে গণঅভ্যুত্থান হয়েছে। শ্রীলঙ্কা ও নেপাল তার উদাহরণ। কিন্তু কোনো গণঅভ্যুত্থানের পর একটি দেশ কীভাবে নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতা সামাল দেয়, সেটিই আসল কঠিন প্রশ্ন।

বাংলাদেশের গণঅভ্যুত্থান অল্প সময়ের জন্য দেশের রাজনৈতিক শাসনব্যবস্থার নিয়মকানুন নতুন করে ভাবার সুযোগ তৈরি করেছিল। ভয় তার দখল হারিয়েছিল। শিক্ষার্থীরা দেশের রাজনৈতিক গতিপথ নির্ধারণ করেছিল। সাধারণ মানুষ নিজেদের কণ্ঠস্বর আবার খুঁজে পেয়েছিল।

কিন্তু রাজনৈতিক ব্যবস্থায় সেই ধাক্কা একটি নতুন ও স্থায়ী বন্দোবস্ত তৈরি করতে পারেনি।

পুরোনো প্রতিষ্ঠানগুলো যখন আবার নিজেদের জায়গা শক্ত করতে শুরু করেছে, তখন ক্ষমতার পরিচিত চর্চাগুলোও ফিরে এসেছে। জবরদস্তি, ক্ষমতার স্তরবিন্যাস এবং আমলাতান্ত্রিক আনুগত্য আবারও দৃশ্যমান হয়েছে।

আর তরুণদের কণ্ঠ ক্রমেই প্রান্তিক হয়ে পড়ছে। অথচ এমন একটি দেশে এটি আরও তাৎপর্যপূর্ণ, যেখানে মানুষের গড় বয়স মাত্র ২৬ বছর।

গণঅভ্যুত্থান মানুষের প্রত্যাশা বদলে দিয়েছে। কিন্তু রাষ্ট্র পরিচালনাকারী ছোট রাজনৈতিক অভিজাত গোষ্ঠীর জন্য যে প্রণোদনাগুলো কাজ করে, সেগুলো বদলায়নি।

খেলোয়াড় বদলেছে, কিন্তু খেলার মূল নিয়ম বদলায়নি।

রিপোর্ট লিখেছেন: জাহিদ হোসেন। বিশ্বব্যাংকের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ। বাংলাদেশের সামষ্টিক অর্থনৈতিক গতিপথ নিয়ে তাঁর দীর্ঘদিনের কাজের অভিজ্ঞতা রয়েছে।

টম ফেলিক্স ইয়োনক: একজন অর্থনীতিবিদ ও সাবেক সাংবাদিক। লন্ডনে সামষ্টিক অর্থনীতি নিয়ে কাজ করার পর তিনি দ্য ইকোনমিস্ট-এর হয়ে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া নিয়ে প্রতিবেদন করেছেন। ২০০৫ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত তিনি এই অঞ্চলে সাংবাদিকতা করেছেন এবং এক দশকেরও বেশি সময় বাংলাদেশ কাভার করেছেন।

মূল উৎস: দ্য ওয়্যার, ১৭ আগস্ট ২০২৬।