বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ সম্প্রতি বলেছেন, সচিবালয়ে ক্যু (অভ্যূত্থান) হতে পারে। সরকারি আমলাদের নিয়ে ওই মন্তব্যের পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকসহ বিভিন্ন মহলে বেশ আলোচনা হচ্ছে।
বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত ইস্যু নিয়ে তুমুল বিতণ্ডা চলছে সামাজিক মাধ্যমে। জাতীয় সংগীত পরিবর্তনের দাবি তুলে সমালোচিত হওয়া জামায়াতে ইসলামীর সাবেক আমির গোলাম আযমের ছেলে সাবেক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবদুল্লাহিল আমান আযমীর বক্তব্যের কারণে এই বিতণ্ডার সৃষ্টি হয়।
শনিবার (৩১ আগস্ট) কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলা ও বুড়িচং উপজেলায় বন্যার্তদের মাঝে জরুরি চিকিৎসা সেবা ও ঔষধ বিতরণ করেন বস্ত্র ও পাট এবং নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেন।
‘আমি তো আওয়ামী লীগের কোনো দুর্দিন দেখি না। মাওলানা ভাসানী ও বঙ্গবন্ধুর আওয়ামী লীগ আর শেখ হাসিনার আওয়ামী লীগ এক নয়। বঙ্গবন্ধুর আওয়ামী লীগ ছিল গরিব মানুষের আওয়ামী লীগ, যে আওয়ামী লীগ বাংলাদেশের স্বাধীনতা এনেছে। সেই আওয়ামী লীগ আর শেখ হাসিনার আওয়ামী লীগ এক নয়।’
ছাত্রআন্দোলনের সময় ছাত্র-জনতাকে ‘নির্বিচারে হত্যার’ অভিযোগে আওয়ামী লীগের নিবন্ধন বাতিল ও দল নিষিদ্ধ চেয়ে করা রিট জরিমানাসহ খারিজ চেয়েছেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান। হাই কোর্ট বেঞ্চে এ রিটের শুনানিতে তিনি বলেন, দল নিষিদ্ধের সুযোগ নেই, সেই ইচ্ছাও এ সরকারের নেই।
ছাত্ররা জনগণকে নিয়ে বিপ্লব সংগঠিত করে বিজয়ী হেয় নতুন বাংলাদেশ গড়ার সুযোগ এনে দিয়েছে। ৫ আগস্ট থেকে নতুন এক বাংলাদেশের যাত্রা শুরু হয়েছে। সমাজ ও রাষ্ট্রকে দুর্নীতি ও অনিয়মে ডুবিয়ে দিয়ে যে ত্রাস ও অরাজকতার সৃষ্টি করা হয়েছিল, ছাত্ররা সেই সিস্টেমকে একেবারে গুড়িয়ে দিয়েছে।
গত ৮ আগস্ট অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টার দায়িত্ব নেওয়ার পর এই প্রথম জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ দিলেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি তাঁর ভাষণে বলেছেন, কখন নির্বাচন হবে সেটা সম্পূর্ণ রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত, সরকারের নয়।
পুলিশের চাকরিতে পুনর্বহালের দাবি জানিয়েছেন ২০০৭ সালে ‘দলীয় বিবেচনায়’ নিয়োগ বাতিল হওয়া ৭৫৭ জন বঞ্চিত উপ-পরিদর্শক (এসআই) ও সার্জেন্ট। শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী মিলনায়তনে চাকরিতে পুনর্বহালের দাবিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তারা এসব দাবি জানান।
বাংলাদেশের পূর্বাঞ্চলের বিস্তৃর্ণ এলাকা এখন ডুবে গেছে হঠাৎ বন্যায়। পরিস্থিতি তীব্র আকার ধারণ করেছে বাংলাদেশের ফেনী, নোয়াখালী ও কুমিল্লা অঞ্চলে। সবচেয়ে ভয়াবহ অবস্থা দাঁড়িয়েছে ফেনীর ফুলগাজী, পরশুরাম ও ছাগলনাইয়া উপজেলায়। তলিয়ে গেছে বাড়িঘর, রাস্তাঘাট, ফসলি জমি। এখনো হাজারো মানুষ পানিবন্দী অবস্থায় রয়েছে এসব জায়গায়।