বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে রাষ্ট্রপতির পদটি কখনোই কেবল একটি আনুষ্ঠানিক সাংবিধানিক পদ ছিল না। কখনো এই পদে বসেই স্বাধীনতার ঘোষণা এসেছে, কখনো রাষ্ট্রপতির হাত ধরেই শাসনব্যবস্থা পাল্টেছে, আবার কখনো সামরিক অভ্যুত্থান, গণঅভ্যুত্থান কিংবা রাজনৈতিক সমঝোতার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে বঙ্গভবন।
চলতি বছরের সেপ্টেম্বর মাসে নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ১৮তম ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দেওয়ার জন্য বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে বিশেষ অতিথি হিসেবে আমন্ত্রণ জানিয়েছে ভারত। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির পক্ষ থেকে এই উচ্চপর্যায়ের আমন্ত্রণপত্র সম্প্রতি ঢাকার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এসে পৌঁছেছে, যা পরবর্তীতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে হস্তান্তর করা হয়েছে।
ভারতে নির্বাসনে থাকা সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগামী ডিসেম্বরে দেশে ফিরে আদালতে আত্মসমর্পণ করবেন বলে রয়টার্সকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন। তবে তাঁর এই ঘোষণার পর নতুন করে আলোচনায় এসেছে একাধিক প্রশ্ন: ভারত কি তাঁকে ফিরতে দেবে? দেশে ফিরলে কী হবে? মৃত্যুদণ্ডের রায় মাথায় নিয়ে তিনি আদৌ বাংলাদেশে ফিরতে পারবেন কি? আর বিদেশে অবস্থানরত আওয়ামী লীগের অন্য নেতাদের ভবিষ্যৎই বা কী?
জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল ও জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপির নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ ও ধাওয়া পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে আজ সোমবার। এ সময় একাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে আহত হয়েছেন অন্তত পাঁচজন।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দেশে ফেরা নিয়ে দীর্ঘদিনের অনিশ্চয়তা এখন বড় ধরনের রাজনৈতিক অস্থিরতার জন্ম দিয়েছে। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার একাধিকবার জানিয়েছে, তার ফেরার পথে কোনো আইনগত বাধা নেই।
আন্তর্জাতিক যুব দিবস-২০২৫ উপলক্ষে রাজধানীর রায়েরবাগ সাংবাদিক ক্লাবে ফুলকুঁড়ি থিয়েটারের আয়োজনে “যুবকেরাই সমাজ পরিবর্তনের মূল হাতিয়ার” শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে বক্তারা বলেন, রাষ্ট্র ও সমাজ নানা সময়ে গভীর সংকটে পতিত হয়। সেই সংকট থেকে উত্তরণের জন্য নেতিবাচক ধারা থেকে ইতিবাচক ধারায় উপনীত হওয়ার জন্য নানা উপায় আছে।
জাতীয় নাগরিক পার্টির-এনসিপি পদযাত্রা ও সমাবেশকে ঘিরে আজ ১৬ জুলাই বুধবার সারাদিন দফায় দফায় হামলা, সংঘর্ষে গোপালগঞ্জ শহর রণক্ষেত্রে পরিণত হওয়ার পর কারফিউ জারি করা হয়েছে। বুধবার সন্ধ্যার পর থেকে শহরের কোথাও কোনো হামলা বা ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা না ঘটলেও থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।
দুই হাজার চব্বিশের জুলাই অভ্যূত্থানের পর বাংলাদেশে সংস্কার প্রশ্নে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন গত কয়েকমাস ধরে দফায় দফায় আলোচনা করেছে। এরপরও মৌলিক অনেক বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে মতপার্থক্য দূর করা যায়নি। এমনকি যে সব বিষয়ে ঐকমত্য হবে, সেগুলো বাস্তবায়নে গণভোট না কি সংসদ নির্বাচন-সেই বিতর্কও এখন সামনে এসেছে।
জুলাই আন্দোলনের ‘মেটিকুলাস ডিজাইন’ নিয়ে নানা মাধ্যমে বিপুল আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে এর ব্যাখ্যা দিয়েছেন অন্তবর্তী সরকারের তথ্য উপদেষ্টা মাহফুজ আলম। মাহফুজ আলমকে প্রধান উপদেষ্টা আওয়ামী লীগ সরকার পতন আন্দোলনের ‘মাস্টারমাইন্ড’ হিসেবে পরিচয় করে দিয়েছিলেন। জুলাই আন্দোলন নিয়ে মাহফুজ আলমের ভাষ্য, “প্রথম অংশ অবশ্যই মেটিকুলাসলি ডিজাইনড। পরের অংশের কৃতিত্ব বিপ্লবী ছাত্র-জনতার।”