বাংলাদেশের অন্তবর্তী সরকারের সংস্কার কমিশনগুলো কাজ করে চলেছে। তারা ইতিমধ্যে প্রতিবেদনও জমা দিয়েছে। এখন প্রতিবেদনের প্রধান প্রধান সুপারিশগুলো বাস্তবায়নের পালা। বাংলাদেশ নামের রাষ্ট্রের নানা খাতে গেড়ে বসা নানা অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনা দূ্র করার জন্য এই সুপারিশগুলো যত দ্রুত বাস্তবায়ন করা যাবে ততই মঙ্গল। না হলে আগের ধংসের ধারাতেই রয়ে যাবে দেশ।
বাংলাদেশ একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও বিশ্বাসযোগ্য সাধারণ নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। সরকার গ্রহণযোগ্য ও অংশগ্রহণমূলক সাধারণ নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছি, যা ন্যায়বিচার, সমতা, স্বাধীনতা এবং মানুষের মর্যাদা নিশ্চিত করবে।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা.শফিকুর রহমান দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন। সামাজিক মাধ্যমে তার ভেরিফাইড ফেসবুক পেইজে দেওয়া এক স্ট্যটাসে দলীয় সহকর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেছেন—
গত কয়েক দিন ধরে নির্বাচন অনুষ্ঠানের তারিখ নিয়ে আবারো বিতর্ক চলছে। এরইমধ্যে বুধবার ঢাকায় বিএনপির আয়োজনে তারুণ্যের সমাবেশে বিএনপি নেতা তারেক রহমানও বলেছেন, “আগামী জাতীয় নির্বাচন নিয়ে মনে হয় এরই ভেতরে টালবাহানা শুরু হয়েছে বা চলছে। ডিসেম্বরেই ভোট হতে হবে।’’
অন্তর্বর্তী সরকারের করা ‘সরকারি চাকরি (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’ প্রত্যাহারের দাবিতে সচিবালয়সহ বিভিন্ন জায়গায় সোমবার দিনভর বিক্ষোভের পর মঙ্গলবারও বিক্ষোভ কর্মসূচি অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছে সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের কর্মচারীরা।
জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়নের পথ রাজনৈতিক দলগুলোই নির্ধারণ করবে। এটা অন্তর্বর্তী সরকার সিদ্ধান্ত নেবে যে তারা কীভাবে অগ্রসর হবে। রাজনৈতিক দলগুলোর আলাপ আলোচনার মধ্য দিয়ে কীভাবে বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া তৈরি হয়, সেটাই হচ্ছে প্রশ্ন।
দেশের রাজনীতি হঠাৎ উত্তাপ ছড়াচ্ছে। বিশেষ করে ইন্টেরিম সরকারের প্রধান অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস যখন তার পদ ছাড়ার ঘোষণা দেন, সারাদেশে আলোড়ন সৃষ্টি করে। বিষয়টি টক অব দ্য কান্ট্রিতে পরিণত হয় মূহুর্তেই। ড. ইউনূসের সেই পদত্যাগের ভাবনা নিয়ে তৈরি হওয়া সংকটের আপাত নিরসন হলো।
বাংলাদেশে ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেওয়া শিক্ষার্থীদের নতুন রাজনৈতিক দলের নাম রাখা হয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টি – এনসিপি) এবং এই দলের শীর্ষ পদ অর্থাৎ আহ্বায়ক হয়েছেন নাহিদ ইসলাম। ২৮ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার দলটির নাম আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা দেওয়া হয়।
শেষ পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অধিভুক্ত সাত কলেজ আলাদা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ঢাকার একাধিক সড়ক অবরোধ করে সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা আন্দোলনে নেমে সরকারকে কয়েক ঘণ্টার আলটিমেটামের পর এই সিদ্ধান্ত এসেছে।
অন্তবর্তী সরকার জনমুখী পদক্ষেপ না নিয়ে আবারো একটি জনঅসন্তোষের পদক্ষেপ নিল। চলতি অর্থবছরের মাঝামাঝি সময়ে এসে শতাধিক পণ্য ও সেবায় মূল্য সংযোজন কর বা (ভ্যাট) বাড়ানোর পাশাপাশি ট্রাকে করে টিসিবির পণ্য বিক্রি বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তারা। এতে জনগণের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।